He`d prefer to have tea,____

wouldn`t he?

hadn`t he?

shouldn`t he?

hasn`t he?

Explanation:

Correct Answer is: wouldn`t he?

He`d=He Would

এটা ট্যাগ কোয়েশ্চন।

এখানে auxiliary verb neagtive+sub+? দিতে হবে।

আমরা বলতে পারি যে,

  • *সমন্বিত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি প্রস্তুতির জন্য আমাদের মুল বইটা ভালো করে পড়লেই যথেষ্ট।মুল বইয়ের দাগানো লাইনগুলো থিউরী টাইপ MCQ এর জন্য যথেষ্ট এবং মুল বইয়ের উদাহরন গুলো ম্যাথ টাইপ MCQ এর জন্য যথেষ্ট।
  • *যেহেতু সময় কম থাকে সেহেতু পরীক্ষায় ভালো করা নির্ভর করে ভুলের পরিমানের উপর।সহজ প্রশ্নে যারা ভুল করো তাদের এখানে এই সমস্যা অধিক অনুশীলন করে সমাধান করতে হবে।ভুল করা যাবে নাঃ পরীক্ষায় প্রশ্ন ভালো করে পড়তে হবে,মাথা ঠান্ডা রেখে সলিউশন করতে হবে, একাধিক প্রশ্নের উত্তর একই সাথে চিন্তা করবা না,প্রশ্নের উত্তর বের করার পর আরেকবার ভাববা ঠিকাছে কিনা।
  • ভুলের পরিমানটা অধিক অনুশীলন করে আয়াত্বে আনতে হবে , এই অনুশীলন নিজে নিজে করতে হবেঃ Practice Makes The Master এই কথাটা বারবার বলি , এটার গুরত্ব একটু বুঝার চেষ্টা করো।
  • *কার্যকর উপায় হলোঃ দাগানো লাইনগুলো খুব ভালো করে আত্বস্ত করে বইয়ের ছোট খাট ম্যাথগুলো অনুশীলন করা।(যতটুক সম্ভব)
  • রসায়ন,পদার্থ,ম্যাথ= হাজারী স্যার,ইসহাক স্যার এবং কেতাব স্যারের বইয়ে ছোট-খাটো উদাহরন গুলো ভালো করে অনুশীলন করব এবং দাগানো অংশে বেশি গুরত্ব দিয়ে চাপ্টার রিভিশন দিতে থাকব।
  • আর জীববিদ্যার জন্য মুল বই রিভিশন।
  • মুল বই থেকে যত বেশি অনুশীলন করতে পারব তত ভুলের মাত্রা কমে যাবে এবং আমরা সফল হব।
  • মুল বই বাদে অতিরিক্ত কোন বইয়ের প্রয়োজন নেই , এমনকি প্রশ্নব্যাংকের প্রয়োজনও এখানে অনেক কম, কারন অনুশীলন আমরা উদাহরন থেকে করব।
  • পরীক্ষায় 4-5টি প্রশ্ন  থাকবে যেগুলো স্কিপ করা সেইফঃ যেই বইগুলা পড়তে বলছি সেগুলোতে পাবে না ,তাই এরকমগুলো স্কিপ করা ভালো।

ভুল করা বিষয়টা কেনো এত গুরত্ব দিয়ে বলতেছিঃ

এগ্রীর গতবারে যারা চান্সপেয়েছে তাদের প্রাপ্ত মার্ক্স এর সাপেক্ষে বিষয়টা বুঝাব।

নিচের চার্টটি লক্ষ করো,এইটা হইল গতবার যারা চান্স পেয়েছে তাদের মার্ক্সঃ

Highest Score  
76.75
Lowest Score
-3.75
70+ Above  
Only 62 Students
60-70 Marks
1132 Students
50-60 Marks
4896 Students
40-50 Marks
7213 Students

  • মোট আবেদন করেছিল 75,872 জন শিক্ষার্থী , যেখানে মোট সীটসংখ্যা 3550 ।বাট, প্রবেশপত্র ডাউনলোড করেছে 35,982  জন শিক্ষার্থী এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছে 23,467 জন শিক্ষার্থী(আবেদনের 65.22%)
  • ভর্তি পরীক্ষায় মোট প্রশ্ন ছিল 100টি এবং মোট মার্ক্স 100 এবং মোট সময় 60মিনিট।
  • ভর্তি পরীক্ষায় হায়েস্ট মার্ক্স=76.75  এবং মাত্র 62 জন শিক্ষার্থী 70-76.75 মার্ক্স পাইছে।আমরা যদি এই 60জনকে এক্সেপশন চিন্তা করি , তাহলে উপর চার্ট থেকে দেখে বলা যায়ঃ এগ্রীতে চান্স প্রাপ্ত অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মার্ক্স=50-60 এবং সেইফ মার্ক্স হইল=60 এর কাছাকাছি।
  • প্রশ্নটা এখানেই, এত কম মার্ক্স আসে কেনো? BAU Admission Test-19 এর প্রশ্নটা আমাদের প্রথম সারপ্রাইজ এক্সামে ছিলঃ উক্ত প্রশ্নটা দেখলে তোমার কাছে মনে হবে এই প্রশ্নে কাট মার্ক্স মনে হয় 75-80.

  • আমরা কিছু কারন খুঁজে বের করব , এই জিনিসটা কেনো হয়।
    1. শিক্ষার্থীদের ভুল করাঃ সহজ প্রশ্নে শিক্ষার্থীরা বেশি ভুল করে এবং তারা মনে করে এটা তো ইজি , অপশন এটাই।ভুল করার কিছু কারনঃ
      • শিক্ষার্থীরা অনুশীলন কম করে, এতে তারা ভুল কি জিনিস এইটার সাথে ভালোমত পরিচিত হয় না।
      • শিক্ষার্থীদের সর্টকাট টেকনিকের উপর উচ্চরকমের ভরসা,তারা ধরে নেয় সর্টকার সুত্র/টেকনিক এমন একটা উপায় যেটা অবলম্বন করলে কম সময়ে সব প্রশ্ন দাগিয়ে চান্স নিশ্চিত করা যাবে এবং তাই তারা এসব মুখস্থ করে এবং পরীক্ষায় সহজভাবে চিন্তা না করে ঔ সর্টকাট দিয়ে করতে গিয়ে ভুল করে।বাট, বাস্তবতা হইল তার কল্পনার বাইরের জিনিস ।
      • শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন ভালো করে পড়ে না, অপশন ভালো করে দেখে নাঃ হুট করে প্রশ্ন পড়ে বৃত্ত ভরাট করে ফেলে।
    2. শিক্ষার্থীরা সব প্রশ্ন দাগানোর টার্গেট করেঃ অনেকে ধরে নেয় তাকে অনেক প্রশ্ন দাগাতে হবে।এজন পরীক্ষার্থী প্রথম 35মিনিটে 40 টা প্রশ্ন দাগালেও অনেকে শেষ 20-25 মিনিটে দাগায় 50টার মত প্রশ্ন।কারন তাকে সব দাগাতে হবেঃ কারন সে ধরে নিছে সব না দাগালে চান্স হবেনা।শিক্ষার্থীদের এই প্রবনতা ভালো একটা কারন।
    3. শিক্ষার্থীরা নেগেটিভ মার্কিং বিষয়টাকে গুরত্ব দেয়নাঃ তারা পরীক্ষার সময় মনে করে আমি 55টা প্রশ্ন সিউর হয়ে দাগাবো এবং বাকি 35-40টা প্রশ্ন হালকা গেস করে, কমন সেন্স এপ্লাই করে, হতে পারে মনে করে দাগাবঃ বাট বাস্তবে দেখা যায় সে যেই 55টা সিউর ধরে নিচে তার মধ্যে  ১২-১৫টাই ভুল এবং বাকি 35-40টার মধ্যে তার  20টার মত-ই ভুল যায়। 

  • শিক্ষার্থীদের কিছু চিন্তা থেকে বের হয়ে আসতে হবেঃ
    1. ১০০টি প্রশ্নের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী যেই কয়টি পারে শুধু ঐ কয়টি প্রশ্ন দাগাবে।একজন সাধারন  শিক্ষার্থীর যদি বেসিক থাকে , অনুশীলনের দক্ষতা থাকে তবে , ভুল করার কারনগুলো যদি তার মধ্যে কম থাকে তবে সে শিক্ষার্থী 60-65 টা প্রশ্ন ইজিলি দাগাতে পারবে।আর , একজন শিক্ষার্থীর যদি 50টি দাগানোর সামর্থ্য থাকে তবে এই 50টাই দাগাবে।
    2. প্রশ্ন ভালো করে পড়বে,অপশন ভালো করে দেখবা এবং মুল নিয়মে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর করার চেষ্টা করেবঃ শিক্ষার্থীরা সর্টকাট অনুশীলন করবে না বরং তারা মুল বইয়ের বেসিক প্রসেস বারবার অনুশীলন করে সলভ করার চেষ্টা করবে।
    3. শিক্ষার্থীরা পরীক্ষারে সময় মাথা ঠান্ডা রাখবে , টানটান অস্থায় থাকবে না , একাধিক জিনিস একসাথে চিন্তা করবে না।
    4. মুল বই ভালো করে পড়বা , মুল বইয়ের উদাহরন, অনুশীলনী অংশ থেকে নিয়মিত অনুশীলন করবা।
    5. একজন শিক্ষার্থীকে চান্স পাওয়ার জন্য নিজের পারা পড়াশোনার উপর সর্বোচ্চ দক্ষতা দরকার , আর এর জন্য একজন শিক্ষার্থীকে তার পারা জিনিস বারবার পড়তে হবে এবং যথেষ্ট মাত্রায় অনুশীলন করতে হবে।
    6. শিক্ষার্থীরা মুল বই রিভিশন দেয়ার পর বাকি সময়টা অনুশীলনে দিবে এবং অনুশীলনের সময় কিছু অনুশীলন তারা বই খুলে করবেঃ নিজের দুর্বলতা বের করবাঃ কোথায় বেশি ভুল হয়,কেন এই ভুলটা হয়,ঔ পয়েন্ট খুঁজে বের করে সেইটা সমাধান করবা
    7. নিজের দুর্বলতা অধিক অনুশীলন করে খুজার চেষ্টা করে সেগুলো সমাধান করবা।
    8. একজন শিক্ষার্থীকে মাথায় রাখবে তবেঃ পরীক্ষায় কিছু প্রশ্ন থাকবে যেগুলো দেয়া যাতে শিক্ষার্থীরা ভুল করে , আকর্ষন করার মত অপশন রাখবে , বইয়েট টপিকের রিলেটেড বাট বাইরের বই থেকে প্রশ্ন দিবে যাতে শিক্ষার্থী দাগায় এবং ভুল করে — এগুলা দাগানো যাবে না , এগুলা স্কিপ করতে হবে এবং এই টাইপের প্রশ্ন কোনগুলা সেগুলো অনুশীলন করেই রপ্ত করতে হবে।(যেমন আজকের ৩৫ নং প্রশ্ন)
    9. আর মনে রাখিওঃ

      Practice Makes The Master

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *