`উদ্ধৃতি চিহ্ন` কত প্রকার ?
দুই প্রকার
তিন প্রকার
চার প্রকার
পাঁচ প্রকার
Explanation:
Correct Answer is: দুই প্রকার
• উদ্ধৃতি চিহ্ন দুই প্রকার। যথা –
১. একক উদ্ধৃতি চিহ্ন
২. যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন
বিরাম চিহ্ন:
মুখের কথাকে লিখিত রূপ দেওয়ার সময়ে কম-বেশি থামা বোঝাতে যেসব চিহ্ন ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে বিরামচিহ্ন বলে। বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও কিছু চিহ্ন ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতিচিহ্নও বলা হয়।
• বাক্যের শেষে বসে ৩টি যতিচহ্নি বা বিরামচিহ্ন। এগুলো হলো: দাঁড়ি চিহ্ন, প্রশ্নবোধক চিহ্ন এবং বিস্ময় চিহ্ন। এগুলোকে প্রান্তিক যতিচিহ্ন বা বিরাম চিহ্ন বলে।
যতি বা ছেদ চিহ্নের বিরতি কাল:
১. কমা – ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।
২. সেমিকোলন – ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
৩. দাঁড়ি বা পূর্ণচ্ছেদ – এক সেকেন্ড।
৪. প্রশ্নবোধক চিহ্ন – এক সেকেন্ড।
৫. বিস্ময় ও সম্বোধন চিহ্ন – এক সেকেন্ড।
৬. কোলন – এক সেকেন্ড।
৭. ড্যাস- এক সেকেন্ড।
৮. কোলন ড্যাস – এক সেকেন্ড।
৯. হাইফেন – থামার প্রয়োজন নেই।
১০. ইলেক বা লোপ চিহ্ন – থামার প্রয়োজন নেই।
১১. একক উদ্ধৃতি চিহ্ন – `এক` উচ্চরণে যে সময় লাগে।
১২. যুগল উদ্ধৃতি চিহ্ন – `এক` উচ্চরণে যে সময় লাগে।
১৩. ব্র্যাকেট (বন্ধনি চিহ্ন) – থামার প্রয়োজন নেই।
১৪. ধাতু দ্যোতক চিহ্ন – থামার প্রয়োজন নেই।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।